বাঙালি বিয়ের দাওয়াত কার্ডে সাধারণত থাকে: শুরুর আশীর্বাদ বা দোয়া, যাদের পক্ষ থেকে দাওয়াত (প্রায়ই বাবা-মা), বর ও কনের পুরো নাম ও পিতৃপরিচয়, প্রতিটি অনুষ্ঠানের নাম, তারিখ, সময় ও ঠিকানা, আর উত্তর দেওয়ার শেষ তারিখ। দুই ভাষার পরিবারের জন্য সবচেয়ে সহজ হলো একটিই দাওয়াত লিংক, যা অতিথি নিজের ভাষায় পড়েন: The Private Wedding App-এ (মাসে £১৭.৯৯ অথবা একবারে £১৫৯ আজীবনের জন্য, ডলারে মাসে $১৯.৯৯ অথবা একবারে $১৮৯) আপনি একবার লেখেন, আর অ্যাপের AI অনুবাদ এক ক্লিকে দ্বিতীয় ভাষা ভরে দেয়। বাংলা এখন অতিথিদের ২৬টি ভাষার একটি: আপনি ইংরেজিতে লিখুন, আর মুরুব্বিরা এক ছোঁয়ায় পুরো দাওয়াত বাংলায় পড়বেন, বোতাম, RSVP ফর্ম আর মেনুসহ। ৩ দিনের ফ্রি ট্রায়াল।
দাওয়াত কার্ডের লেখা নিয়ে প্রায় প্রতিটি বাঙালি পরিবারে একটা ছোট বৈঠক হয়। দাদা চান শুরুতে বিসমিল্লাহ বা শ্রী শ্রী প্রজাপতয়ে নমঃ, মা চান বাবার নামে দাওয়াত, আর লন্ডন বা নিউইয়র্কে বড় হওয়া বর-কনে চান ইংরেজিতে, যাতে বন্ধুরাও বোঝে। ভালো খবর হলো, এখন আর একটাকে বেছে নিতে হয় না। নিচে মুসলিম ও হিন্দু দুই ধরনের বিয়ের জন্য তৈরি লেখা দিলাম, বাংলা আর ইংরেজি দুই ভাষায়, যা কপি করে নিজের নাম বসিয়ে নিতে পারেন।
মুসলিম বিয়ের দাওয়াত কার্ডে কী লিখবেন?
বাংলাদেশের মুসলিম পরিবারে কার্ড সাধারণত শুরু হয় “বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম” দিয়ে, তারপর বাবা-মায়ের পক্ষ থেকে দাওয়াত। একটি নমুনা:
“বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। পরম করুণাময় আল্লাহর অশেষ রহমতে আমাদের কন্যা নুসরাত জাহান (জনাব আব্দুল করিম ও মিসেস রাশিদা বেগমের কন্যা)-এর সাথে মোঃ তানভীর আহমেদ (জনাব মোঃ শফিকুল ইসলাম ও মিসেস নাজমা খাতুনের পুত্র)-এর শুভ বিবাহ আগামী শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত হবে। উক্ত শুভ অনুষ্ঠানে আপনার সপরিবারে উপস্থিতি ও দোয়া একান্তভাবে কামনা করছি।”
ইংরেজিতে একই কথা: “In the name of Allah, the Most Gracious, the Most Merciful. With the blessings of Allah, Mr Abdul Karim and Mrs Rashida Begum request the pleasure of your company at the wedding of their daughter Nusrat Jahan to Tanvir Ahmed, son of Mr Shafiqul Islam and Mrs Nazma Khatun, on Friday 12 June 2026. Your presence and duas would mean the world to us.”
অ্যাপে: এই লেখা কভার আর তথ্য অংশে একবার লিখুন, তারপর দুই ভাষার দাওয়াত-এর AI অনুবাদ দ্বিতীয় ভাষাটা ভরে দেয়, প্রতিটি লাইন আপনি নিজে ঠিক করে নিতে পারেন।
হিন্দু বিয়ের নিমন্ত্রণ পত্রে কী লিখবেন?
পশ্চিমবঙ্গ আর বাংলাদেশের হিন্দু পরিবারে নিমন্ত্রণ পত্র সাধারণত শুরু হয় “শ্রী শ্রী প্রজাপতয়ে নমঃ” দিয়ে। একটি নমুনা:
“শ্রী শ্রী প্রজাপতয়ে নমঃ। মহাশয়/মহাশয়া, আগামী ১২ই ফাল্গুন, বৃহস্পতিবার, আমার কন্যা শ্রীমতী অনন্যা-র সহিত শ্রী অরিন্দম-এর শুভ বিবাহ অনুষ্ঠিত হইবে। এই শুভ অনুষ্ঠানে আপনি সবান্ধবে উপস্থিত থাকিয়া নবদম্পতিকে আশীর্বাদ করিলে বাধিত হইব। বৌভাত: ১৪ই ফাল্গুন, শনিবার।”
আধুনিক কার্ডে অনেকে চলিত ভাষা ব্যবহার করেন: “আমাদের মেয়ে অনন্যার সঙ্গে অরিন্দমের বিয়েতে আপনাকে সপরিবারে নিমন্ত্রণ জানাই। আপনার উপস্থিতি আর আশীর্বাদ আমাদের কাছে সবচেয়ে বড় উপহার।” বাংলা তারিখের পাশে ইংরেজি তারিখও দিন, প্রবাসী আত্মীয়দের সুবিধার জন্য।
অ্যাপে: প্রতিটি অনুষ্ঠান (আশীর্বাদ, গায়ে হলুদ, বিয়ে, বৌভাত) অনুষ্ঠানসূচি-তে নিজের তারিখ আর সময় নিয়ে বসে, আর অতিথি প্রতিটির উত্তর আলাদা দেন।
প্রতিটি অনুষ্ঠানের লাইন কেমন হবে?
একটি কার্ডে একাধিক অনুষ্ঠান থাকলে প্রতিটির জন্য একটা ছোট লাইন রাখুন, সাথে সময় আর ঠিকানা। পোশাকের রং থাকলে সেটাও লিখুন, বিশেষ করে গায়ে হলুদে।
দুই ভাষার দাওয়াত কীভাবে সাজাবেন?
ছাপা কার্ডে দুই ভাষা মানে দুই পাতা বা ছোট হরফ। লিংকের দাওয়াতে সমস্যাটা থাকে না: অতিথি খোলার পর ভাষা বেছে নেন, আর তার ফোন সেটা মনে রাখে, পরেরবার সরাসরি সেই ভাষায় খোলে।
বাংলা এখন অতিথিদের ২৬টি ভাষার একটি: আপনি ইংরেজিতে লিখুন, আর মুরুব্বিরা এক ছোঁয়ায় পুরো দাওয়াত বাংলায় পড়বেন, বোতাম, RSVP ফর্ম আর মেনুসহ। তৃতীয় একটি ভাষাও রাখা যায়, যেমন আরবি বা হিন্দি, অন্য দিকের আত্মীয়দের জন্য।
অ্যাপে: দুই ভাষার দাওয়াত-এ প্রতিটি লেখার নিচে দ্বিতীয় ভাষার ঘর থাকে; ঘর খালি রাখলে অতিথি মূল ভাষার লেখাটাই দেখেন, কোনো কিছু হারায় না।
উত্তর দেওয়ার শেষ তারিখ কীভাবে লিখবেন?
বাঙালি দাওয়াতে “অনুগ্রহ করে জানাবেন” লেখার চল কম, কিন্তু হলের আর খাবারের হিসাবের জন্য এটাই সবচেয়ে দরকারি লাইন। নরম করে লিখুন: “আয়োজনের সুবিধার্থে ৩০ মে-র মধ্যে জানালে কৃতজ্ঞ থাকব।” ইংরেজিতে: “Kindly reply by 30 May so we can plan the food.”
অ্যাপে: RSVP ট্যাবে শেষ তারিখ দিন; যারা ইমেইল দিয়েছেন অথচ উত্তর দেননি, তাদের চাইলে অ্যাপ নিজে দুইবার মনে করিয়ে দেয়। বাকিদের জন্য প্রতিটি অতিথির পাশে হোয়াটসঅ্যাপ বোতাম। শুরু করুন £১৫৯-এ আজীবনের প্ল্যান দিয়ে, অথবা মাসে £১৭.৯৯। ৩ দিনের ফ্রি ট্রায়াল।
আপনার যা যা দরকার, সব এক জায়গায়
ওয়েডিং প্ল্যানার ছাড়াই নিজেরা বিয়ের পুরো আয়োজন করা একদম সম্ভব।
নিজের চোখে দেখে নিন।
পুরো প্ল্যাটফর্ম ঘুরে দেখুন: ডিজিটাল বিয়ের কার্ড, খাবার আর অ্যালার্জিসহ RSVP, অতিথি তালিকা, টেবিল প্ল্যান, বাজেট, ভেন্ডর, চেকলিস্ট, মুডবোর্ড, অতিথিদের ছবি আর AI সহকারী। কোনো অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে না।
পুরো ডেমো দেখুন →বিয়ের দাওয়াত কার্ডে কী কী লিখতে হয়?
শুরুর দোয়া বা আশীর্বাদ, কাদের পক্ষ থেকে দাওয়াত, বর ও কনের নাম ও পিতৃপরিচয়, প্রতিটি অনুষ্ঠানের নাম, তারিখ, সময় ও ঠিকানা, পোশাকের রং থাকলে তা, আর উত্তর দেওয়ার শেষ তারিখ।
দাওয়াত না নিমন্ত্রণ, কোনটা লিখব?
বাংলাদেশের মুসলিম পরিবারে “দাওয়াত” বেশি চলে, পশ্চিমবঙ্গ আর হিন্দু পরিবারে “নিমন্ত্রণ”। দুটোই সঠিক বাংলা; যে শব্দ আপনার পরিবারে চলে, সেটাই লিখুন।
বাংলা আর ইংরেজি দুই ভাষায় কি একটাই দাওয়াত পাঠানো যায়?
হ্যাঁ, The Private Wedding App-এ একটিই লিংক, অতিথি ভাষা বেছে নেন। বাংলা এখন অতিথিদের ২৬টি ভাষার একটি: আপনি ইংরেজিতে লিখুন, আর মুরুব্বিরা এক ছোঁয়ায় পুরো দাওয়াত বাংলায় পড়বেন, বোতাম, RSVP ফর্ম আর মেনুসহ।
কার্ডে পুরো হিজরি বা বাংলা তারিখ দেওয়া কি দরকার?
দরকার নয়, তবে মুরুব্বিরা পছন্দ করেন। বাংলা বা হিজরি তারিখের পাশে সবসময় ইংরেজি তারিখ দিন, যাতে প্রবাসী আত্মীয় আর হল কর্তৃপক্ষ বিভ্রান্ত না হন।
দুই ভাষার দাওয়াতের দাম কত?
The Private Wedding App-এ দুই বা তিন ভাষা আলাদা খরচ ছাড়াই: মাসে £১৭.৯৯ অথবা একবারে £১৫৯ আজীবনের জন্য, ডলারে মাসে $১৯.৯৯ অথবা একবারে $১৮৯। ৩ দিনের ফ্রি ট্রায়াল।

